Posts

Showing posts from July, 2025

নিজে নিজে সুখ নিতে গিয়ে দেবরের কাছে ধরা খেলাম

Image
  রাত ঠিক ৩ টা বাজে হটাৎ ভাবীর রুম থেকে কেমন যেন জোরে চিল্লা চিল্লি শব্দ আসছে। এই দিনে আবার বাবা মা বেড়াতে গেছে খালার বাসায়। ভাইয়া ব্যবসার কাজে বাহিরে গেছে। আমি bpl খেলা দেখছি ড্রইং রুমে। ভাবীর চিৎকার শুনে তার দরজার সামনে গেলাম। আজকে আবার অনেক শীত ও পড়ছে। ভাবীর বয়স ৩৪ হবে। এখনো বাবু হয় না। এইটা নিয়ে অনেক ঝামেলা হয় বাড়ির সবার সাথে। আমি আরিয়ান এবার অনার্স কমপ্লিট করলাম। এরপর ভাবি আরো চিৎকার করছে। একবার মনে হচ্ছে ভাবীকে জিজ্ঞেস করি কিন্তূ ভয় হচ্ছে যদি কিছু মনে করে। এতো রাতে তার রুমে আসলে কিন্তূ আর ভয় পাইলাম না সোজা ভাবীর দরজা খুললাম। দরজা খুলে যা দেখলাম আমি নিজেও প্রুস্তুত ছিলাম না। সম্পূর্ণ উলঙ্গ ভাবে রয়েছে ভাবি। আমাকে দেখে খুব তাড়াহুড়া করে কাপুর পড়তে লাগলো আর বললো আরিয়ান তুমি কেন আসছো? আমি তখন বললাম আমি খেলা দেখছি হটাৎ আপনার রুম থেকে অনেক শব্দ আসছিলো এই জন্য আসলাম। আসলে সত্যি সরি ভাবি আমি বুজতে পারি নাই। ভাবি তখন বললো থাক তুমি তো আমার দেবর। যেটা দেখছে এটা কাউকে বলিও না। আচ্ছা ভাবি কাউকে আমি বলব না সমস্যা নেই আপনার এটা নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই। কিন্তু ভাবি একটা প্রশ্ন করব উত্তর দে...

মামাতো ভাইয়ের মেশিন দেখে আমার প্যা*ন্টি ভিয়ে গেলো

Image
গল্পটি ভিডিও আকারে দেখুন ==> Watch 720P 1080P মামাতো ভাই বোনের সেক্সের গল্প আমার মামাবাড়ী যশোর শহরে। মামা মামী ও তাদের ১৬ বছরের ছেলেকে নিয়ে তাদের ছোট্ট সংসার। আমি এক ছুটিতে গেলাম তাদের বাড়ী। আমার মামাতো ভাইয়ের নাম পলাশ। ক্লাশ নাইনে পড়ে। চোদন সম্পর্কে পুরোপুরি অজ্ঞ ছিল। তাকে আমি দিয়েছি চোদনের মহাবিদ্যার দীক্ষা। মামা শহরের একটা ছোট ফ্লাট ভাড়া করে থাকেন। দূটো শোবার ঘর আর ড্রইং, ডাইনিং। গল্পটি ভিডিও আকারে দেখুন ==> Watch 720P 1080P এক রুমে মামা মামী থাকেন। আর অন্য ঘরে থাকে পলাশ। শোবার ঘর দুটো একেক্টা এক মাথায়। পলাশ আমার অনেক ছোট। তাই আমি গিয়ে ওর সাথেই ওর রুমে থাকতাম। এখন গল্পের মুলে আসি। গল্পটি ভিডিও আকারে দেখুন ==> Watch 720P 1080P তখন খুবই গরম। মামার বাসায় অসম্ভব লোডসেডিং এর কারনে রাতে ঘুমানোর সময় আমি শুধু ব্রা আর পাজামা পরে ঘুমাতাম। পলাশ দেব দেব করে তাকিয়ে থাকত শুধু। কিছু বলত না। আসলে আমিও কোন উদ্দেশ্য এমন করতাম না। ও ছোট ছিল বলেই ওর সামনে দ্বিধা করতাম না। ওর সাথে আমার বেজ়ায় ভাব হয়ে যায়। আমরা দুজন খুব ভাল বন্ধু হয়ে যাই। তখন ই আমার ধারনা হয়ে যায় যে পলাশ ...

আমার ;যৌ*নি রস টপ টপ করে রাকিবের মুখ পড়ছে

Image
যারা আমার আগের গল্প গুলো পড়েছ তারা জানো, যারা আজই প্রথম পাঠক তাদেরকে বলছি, বি.সি.এস হওয়ার পর মেডিকেল অফিসার হিসাবে আমার প্রথম পোস্টিং ছিল হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার একটি প্রত্যন্ত এলাকার ইউনিয়ন সাব-সেন্টারে। মাধবপুর বাসা থেকে সাব-সেন্টারে যাওয়ার কষ্টকর অভিজ্ঞতার কথা তোমাদের আগেই বলেছি। যদিও কিছুদিনের মধ্যেই ওখানকার বয়স্ক টি.এইচ.ও (থানা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা) স্যার এবং তরুন আর.এম.ও (আবাসিক মেডিকেল অফিসার) স্যারকে আমি হাতের মুঠোয় নিয়ে আসি।  তারপর থেকে আমার আর প্রতি সপ্তাহে ঢাকা থেকে মাধবপুর যেতে হতোনা বললেই চলে। মাসের প্রথম সপ্তাহে যেতাম, মাজেদ চাচাকে ডেকে একদিন বুল্লা সাবসেন্টারে গিয়ে হাজিরা খাতায় পুরা মাসের সাইন দিয়ে আসতাম, একদিন মাধবপুর অফিসে বেতনের কাজ, একদিন মান্থলি মিটিং এইসব কাজ সারতাম, এইভাবে ঘুরে ফিরে একটা সপ্তাহ কোনরকমে কাটিয়ে আবার ঢাকা ফিরে আসতাম। এটাই ছিল তখনকার নিয়মিত রুটিন। টিএইচও স্যার আমার বাসার দেখা শুনার জন্য ছোটো একটা ছেলে ঠিক করে দেন, নাম রাকিব, বয়স বলল ১৪ বছর। কিন্তু দেখতে মনে হয় ৯-১০ বছরের বালক; এত ছোটো ছিল ও। আর খুবই সহজ সরল।  আমি যে কয়দিন থাকতাম আমাকে রান্না...